বৃহষ্পতিবার ২২ অক্টোবর সাজেক সড়কে আবারো অবরোধ ডেকেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
এমন অবস্থায় ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় সাজেক ভ্যালী পর্যটন এলাকায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছেন রাঙামাটির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। বুধবার জারী করা ওই প্রজ্ঞাপনে বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ভ্যালী ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হয়। আর এতে আটকা পড়ে ২৯৩৫ জন বিভিন্ন বয়সী পর্যটক। তাদের নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছে দেয়ার সময় ব্যারিকেডের মুখে পড়ে সেনা-পুলিশের নিরাপত্তা টিম।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল ১০টার দিকে গঙ্গারাম পাড়ায় নিরাপত্তা বাহিনী ও ইউপিডিএফ-এর মধ্যে কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।
দীঘিনালার একজন সরকারি কর্মচারী জানান, স্থানীয় লোকমুখে তারা সকাল ১০টার কয়েক মিনিট আগে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে খবর পেয়েছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানাতে পারেননি।
এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চান না কোন কর্তৃপক্ষই। ফলে সেখানে কি ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি।
সরকারি কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সুত্রগুলো জানায়, সাজেক ভ্যালীর অবস্থান রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে। কিন্তু রাঙামাটি বাঘাইছড়ি হয়ে সেখানে যাওয়া সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হওয়ায় পর্যটকরা খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও দীঘিনালা হয়ে বয়ে যাওয়া সড়ক রুট ব্যবহার করে থাকেন।
সুত্রগুলো জানায়, এর ফলে সাজেক ভ্যালীর ঘটনা প্রবাহ রাঙামাটির চেয়ে খাগড়াছড়ি জেলাতেই বেশি প্রভাব ফেলে।
এসব ঘটনা প্রবাহের কারণে প্রশ্ন আসে- সাজেক ভ্যালীর পর্যটন সম্ভাবনার দীপশিখা কি চিরতরে নিভে যাবে?
ভাবা যায়- কতটা প্রাণকাড়া হলে একটি মাত্র পর্যটন স্পটে প্রায় ৩ হাজার পর্যটক এক দিনে ভ্রমণ করে?
এমন একটি পর্যটন কেন্দ্র মাসে ২/৩ বার বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে আর কে যেতে চাইবে?
বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার পর নিরাপত্তা বাহিনী এবং পুলিশের প্রহরায় জীপ, ট্যাক্সি, মাহেন্দ গাড়ি (চাঁদের গাড়ি) এবং মোটর বাইকসহ প্রায় ৩০০ যানবাহনে করে পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। সকাল ১০টার কয়েক মিনিট আগে বহরটি গঙ্গারাম পাড়ায় এসে অবরোধের মুখে পড়ে।














