আশুগঞ্জ প্রতিনিধি:
দেশের বন্ধ থাকা সব সার কারখানা পুনরায় সচল করার মাধ্যমে ইউরিয়া সার আমদানি বাবদ ব্যয়িত বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১ মার্চ থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানাটির বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বিসিআইসি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, চলতি বছরের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাটি পুনরায় পুরোদমে উৎপাদনে ফেরানো সম্ভব হবে।
বাবুল মিঞা বলেন, “বিসিআইসির আওতাধীন কারখানাগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করাই আমাদের অগ্রাধিকার। বর্তমানে দেশকে প্রতি বছর প্রায় ২৬ থেকে ২৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করতে হয়। আমাদের দেশীয় কারখানাগুলো যদি পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে চালু রাখা যায়, তবে অভ্যন্তরীণ সম্পূর্ণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও সার রপ্তানি করার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।”
উৎপাদন ব্যাহতের মূল কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ। তবে প্রয়োজনীয় গ্যাস প্রাপ্তি নিশ্চিত করে কারখানাগুলো পুরোদমে চালুর সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। কারখানাগুলো সচল হলে দেশকে আর সার আমদানির ওপর নির্ভর করতে হবে না, ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে।”
পরিদর্শনকালে বিসিআইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মো. আলী আশরাফ, উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।














