স্টাফ রিপোর্টার:
অসতর্কতার কারণে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন আলীকদম-থানচি সড়ক থেকে তিন্দু যাওয়ার বিকল্প সড়ককে পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে।
শুক্রবার ১৬ অক্টোবর থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল ফয়সাল সাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খাড়া ঢালের কারণে ঝুঁকিপূণ এই অংশে সড়ক সংস্কার কাজ চলছে। চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।
স্থানীয় সুত্রগুলো জানায়, বান্দরবান থেকে থানচি উপজেলা সদর হয়ে নদীপথে তিন্দু-রেমাক্রি যাওয়ার একটি নিরাপদ রুট রয়েছে। এর পাশাপাশি থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়ক রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিকল্প এই সড়কটিও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
সংযোগ সড়কটি ব্যয় কিছুটা কমাতে পারলেও সড়কের শুরুর অংশসহ কয়েকটি স্থানে খাড়া ঢালুর কারণে বিভিন্ন সময়ে পর্যটকবাহী যানবাহন দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছে।
এতে বলা হয়, থানচি-আলীকদম অভ্যন্তরীণ সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই সড়কটি সংস্কার করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী না করা পর্যন্ত পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় মোটরসাইকেল, হালকা ও ভারী যানবাহনসহ সব ধরনের যানবাহন রয়েছে।
ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল জানান, তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি এখনও পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা থাকায় পর্যটকেরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
তিনি জানান, পর্যটকেরা আলীকদম হয়ে থানচির তিন্দুতে গেলে তাদের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় কোন তথ্য থাকে না। ফলে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক তথ্য সংগ্রহে সমস্যায় পড়তে হয়।
সবশেষ গত ৫ অক্টোবর বিকেলে আলীকদম-তিন্দু সংযোগ সড়কের আগোয়াপাড়া এলাকায় পর্যটকবাহী একটি গাড়ি খাদে পড়ে যায়। এতে চকরিয়ার খুটাখালী এলাকার দুই যুবক নিহত হন এবং আহত হন আরও পাঁচজন। ঘটনার পর তাদের বিস্তারিত তথ্য ও পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে প্রশাসনকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।















