ম্যাচের শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে হারিয়ে উয়েফা নেশন্স লিগে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে ফ্রান্স। ঘরের মাঠে এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও শেষ ১৪ মিনিটে চারবার বেলজিয়ামের জাল কাঁপায় ফরাসিরা। এই জয়ে কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে দলের অপরাজিত থাকার ধারাও বজায় থাকল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিক ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধে ম্যাচের ধারার বিপরীতে প্রথম লিড নেয় বেলজিয়ামই। ৩৫ মিনিটে রোমেও লাভিয়ার প্রায় ৬০ গজ দূর থেকে বাড়ানো দারুণ এক থ্রু বল ধরে ফরাসি গোলরক্ষক হিসেবে অভিষেক হওয়া গিয়োম রেস্তেকে পরাস্ত করেন দোদি লুকেবাকিও। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সফরকারীরা।
১৪ মিনিটে ৪ গোল!
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া ফ্রান্স একের পর এক আক্রমণ করেও বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিল না। অবশেষে ৭৭ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন দেজিরে দুয়ে; বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া নিচু শট সরাসরি বেলজিয়ামের জালে জড়ালে ১-১ সমতায় ফেরে ফরাসিরা।
এর মাত্র চার মিনিট পর, ৮১ মিনিটে মাইকেল ওলিসের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে বদলি খেলোয়াড় রায়ান শেরকি ফ্রান্সকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শেষভাগে বেলজিয়ামকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেন মাইকেল ওলিসে। ৮৭ মিনিট এবং ইনজুরি টাইমে (যোগ করা সময়ে) আরও দুটি গোল করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি দলের ৪-১ ব্যবধানের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন ওলিসে। দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট বা সহায়তা করেছেন প্রথম গোলদাতা দুয়ে। এই জোড়া গোলের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালে জাতীয় দলের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭টি গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন ওলিসে।
পয়েন্ট টেবিলের চিত্র
এই বড় জয়ের পর চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নেশন্স লিগের গ্রুপ ‘এ১’-এর শীর্ষস্থান মজবুত করল ফ্রান্স। অন্যদিকে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে আরাল সিমসিরের গোলে তুরস্ককে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইতালি। আজ্জুরিদের হয়ে গোল তিনটি করেছেন জিয়ানলুকা স্কামাক্কা, রিকার্দো কালাফিওরি ও পিও এসপোসিতো।
Reporter Name 














